Magura ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

উগ্র হামলার ধ্বংসস্তূপে ‘আলো’ প্রদর্শনী: শোক ও প্রতিবাদের প্রতীক

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • ৫৪৯ Time View

চয়নিকা চৌধুরীছবি : দীপু মালাকার

বিনোদন প্রতিবেদক,ঢাকা:রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত প্রথম আলো ভবনে উগ্রবাদীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাকে ঘিরে শিল্পী মাহ্বুবুর রহমান নির্মিত ‘আলো’ শীর্ষক প্রদর্শনী যেন শোক, বিস্ময় ও প্রতিবাদের সম্মিলিত ভাষায় রূপ নিয়েছে। পুড়ে যাওয়া যন্ত্রপাতি, ভাঙা আসবাবপত্র ও ছাই হয়ে যাওয়া বইয়ের স্তূপের মাঝখানে দাঁড়িয়ে দর্শনার্থীরা হামলার নির্মমতা নতুন করে অনুভব করছেন।

প্রদর্শনী দেখতে এসে চলচ্চিত্র পরিচালক চয়নিকা চৌধুরী বলেন, এই ধ্বংসস্তূপ কেবল একটি ভবনের ক্ষয়ক্ষতি নয়—এটি গণমাধ্যম ও দেশের ওপর আঘাতের গভীর প্রতীক। তিনি জানান, ভবনের একতলা থেকে চারতলা পর্যন্ত ঘুরে তাঁর মনে হয়েছে যেন এক দমবন্ধ করা বাস্তবতার মধ্যে প্রবেশ করেছেন, যা তাঁকে আবেগাপ্লুত করেছে।

তিনি আরও বলেন, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রথম আলো অফিসে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের খবর শুনে দেশের সম্পদ ও সম্মানহানির বিষয়টি মনে হয়েছিল। আজ প্রদর্শনী ঘুরে দেখার সময় আগুনের ভয়াবহতা সামনে থেকে উপলব্ধি করে তাঁর মনে প্রশ্ন জেগেছে—কীভাবে কেউ এমন একটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করতে পারে। একই সঙ্গে তাঁর উপলব্ধি, ধ্বংসের মাধ্যমে কাউকে দমিয়ে রাখা যায় না।

এর আগে সরকার প্রতিনিধি, চিত্রশিল্পী, কূটনীতিক, অভিনয়শিল্পীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ এই প্রদর্শনী ঘুরে দেখেছেন এবং অনেকেই ধ্বংসাবশেষ দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।

‘আলো’ প্রদর্শনীটি শুরু হয়েছে ১৮ ফেব্রুয়ারি এবং চলবে ২ মার্চ পর্যন্ত। রাজধানীর কারওয়ান বাজার-এ অবস্থিত অগ্নিদগ্ধ ভবনে প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা এবং বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য এটি উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

Tag :
About Author Information

উগ্র হামলার ধ্বংসস্তূপে ‘আলো’ প্রদর্শনী: শোক ও প্রতিবাদের প্রতীক

Update Time : ১২:০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

বিনোদন প্রতিবেদক,ঢাকা:রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত প্রথম আলো ভবনে উগ্রবাদীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাকে ঘিরে শিল্পী মাহ্বুবুর রহমান নির্মিত ‘আলো’ শীর্ষক প্রদর্শনী যেন শোক, বিস্ময় ও প্রতিবাদের সম্মিলিত ভাষায় রূপ নিয়েছে। পুড়ে যাওয়া যন্ত্রপাতি, ভাঙা আসবাবপত্র ও ছাই হয়ে যাওয়া বইয়ের স্তূপের মাঝখানে দাঁড়িয়ে দর্শনার্থীরা হামলার নির্মমতা নতুন করে অনুভব করছেন।

প্রদর্শনী দেখতে এসে চলচ্চিত্র পরিচালক চয়নিকা চৌধুরী বলেন, এই ধ্বংসস্তূপ কেবল একটি ভবনের ক্ষয়ক্ষতি নয়—এটি গণমাধ্যম ও দেশের ওপর আঘাতের গভীর প্রতীক। তিনি জানান, ভবনের একতলা থেকে চারতলা পর্যন্ত ঘুরে তাঁর মনে হয়েছে যেন এক দমবন্ধ করা বাস্তবতার মধ্যে প্রবেশ করেছেন, যা তাঁকে আবেগাপ্লুত করেছে।

তিনি আরও বলেন, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রথম আলো অফিসে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের খবর শুনে দেশের সম্পদ ও সম্মানহানির বিষয়টি মনে হয়েছিল। আজ প্রদর্শনী ঘুরে দেখার সময় আগুনের ভয়াবহতা সামনে থেকে উপলব্ধি করে তাঁর মনে প্রশ্ন জেগেছে—কীভাবে কেউ এমন একটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করতে পারে। একই সঙ্গে তাঁর উপলব্ধি, ধ্বংসের মাধ্যমে কাউকে দমিয়ে রাখা যায় না।

এর আগে সরকার প্রতিনিধি, চিত্রশিল্পী, কূটনীতিক, অভিনয়শিল্পীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ এই প্রদর্শনী ঘুরে দেখেছেন এবং অনেকেই ধ্বংসাবশেষ দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।

‘আলো’ প্রদর্শনীটি শুরু হয়েছে ১৮ ফেব্রুয়ারি এবং চলবে ২ মার্চ পর্যন্ত। রাজধানীর কারওয়ান বাজার-এ অবস্থিত অগ্নিদগ্ধ ভবনে প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা এবং বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য এটি উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।