ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট): বার্ষিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জরিপ ২০২৫-এ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা না দেওয়ায় দেশের ১৫৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশন আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (ইআইআইএন) সাময়িকভাবে বাতিল করেছে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)।
ব্যানবেইসের পরিসংখ্যান বিভাগের পরিচালক প্রফেসর মো. গোলাম ফিরোজ স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। চিঠিটি পাঠানো হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)-এর মহাপরিচালকের কাছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের বার্ষিক শিক্ষা জরিপ কার্যক্রম ২০ অক্টোবর শুরু হয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠান অনলাইনে তথ্য আপলোড করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, মাঠপর্যায়ের তদন্ত ও টেলিফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে জানা গেছে—তালিকাভুক্ত কিছু প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে, কয়েকটির বাস্তব অস্তিত্ব নেই এবং কিছু প্রতিষ্ঠান কেবল স্বল্পমেয়াদি কোর্স পরিচালনা করছে।
সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং একাডেমিক সুপারভাইজারদের প্রত্যয়ন ও সুপারিশের ভিত্তিতে স্থগিতাদেশ কার্যকর করা হয়েছে বলে মাউশির মহাপরিচালককে অবহিত করেছে ব্যানবেইস।
এর ফলে ব্যানবেইসের ডাটাবেজে তালিকাভুক্ত ১৫৮টি প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন আপাতত অকার্যকর থাকবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত তথ্য সংযুক্ত তালিকাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য মাউশি, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।






