Magura ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওপেক প্লাসের ৭ সদস্য দেশের বৈঠক রোববার, নজরে তেল উৎপাদন কোটা

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:০১:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • / 11

ছবি সংগৃহীত

ঢাকা, ৩ মে ২০২৬ (বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট): ওপেক প্লাসের সাতটি সদস্য দেশ রোববার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) জোট ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার পর এটিই তাদের প্রথম বৈঠক।

বৈঠকে তেল উৎপাদন কোটা পুনর্বিন্যাস নিয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দামে আগে থেকেই ঊর্ধ্বমুখী চাপ রয়েছে। তার মধ্যে ইউএইর জোট ত্যাগের সিদ্ধান্ত বাজারে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপি জানিয়েছে, বিশ্বের অন্যতম বড় তেল উৎপাদক ইউএই গত ২৮ এপ্রিল ঘোষণা দেয়, তারা ওপেক ও সম্প্রসারিত ওপেক প্লাস জোট থেকে সরে যাচ্ছে। উৎপাদন কোটায় অসন্তোষের কারণেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার থেকে তা কার্যকর হয়েছে।

রোববারের অনলাইন বৈঠকে অংশ নেবে আলজেরিয়া, ইরাক, কাজাখস্তান, কুয়েত, ওমান, রাশিয়া ও সৌদি আরব। বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতির দিকে নজর থাকবে সবার।

বিশ্লেষকদের ধারণা, সাত দেশ মিলে উৎপাদন কোটা দৈনিক ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল পর্যন্ত বাড়াতে পারে।

গ্লোবাল রিস্ক ম্যানেজমেন্টের প্রধান বিশ্লেষক আর্নে লোম্যান রাসমুসেন বলেন, বাজারে এমন প্রত্যাশাই বেশি দেখা যাচ্ছে।

এদিকে হরমুজ প্রণালীতে জটিলতা থাকায় ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও ইউএইর তেল রপ্তানিও চাপের মুখে রয়েছে। একই সঙ্গে ইরান ও রাশিয়ার পরিস্থিতিও বৈশ্বিক বাজারে প্রভাব ফেলছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরাক ও কাজাখস্তানের মতো কয়েকটি দেশের উৎপাদন কোটা ছাড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ থাকায় ভবিষ্যৎ অবস্থান নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

তাই রোববারের বৈঠককে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

ওপেক প্লাসের ৭ সদস্য দেশের বৈঠক রোববার, নজরে তেল উৎপাদন কোটা

Update Time : ০৬:০১:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

ঢাকা, ৩ মে ২০২৬ (বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট): ওপেক প্লাসের সাতটি সদস্য দেশ রোববার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) জোট ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার পর এটিই তাদের প্রথম বৈঠক।

বৈঠকে তেল উৎপাদন কোটা পুনর্বিন্যাস নিয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দামে আগে থেকেই ঊর্ধ্বমুখী চাপ রয়েছে। তার মধ্যে ইউএইর জোট ত্যাগের সিদ্ধান্ত বাজারে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপি জানিয়েছে, বিশ্বের অন্যতম বড় তেল উৎপাদক ইউএই গত ২৮ এপ্রিল ঘোষণা দেয়, তারা ওপেক ও সম্প্রসারিত ওপেক প্লাস জোট থেকে সরে যাচ্ছে। উৎপাদন কোটায় অসন্তোষের কারণেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার থেকে তা কার্যকর হয়েছে।

রোববারের অনলাইন বৈঠকে অংশ নেবে আলজেরিয়া, ইরাক, কাজাখস্তান, কুয়েত, ওমান, রাশিয়া ও সৌদি আরব। বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতির দিকে নজর থাকবে সবার।

বিশ্লেষকদের ধারণা, সাত দেশ মিলে উৎপাদন কোটা দৈনিক ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল পর্যন্ত বাড়াতে পারে।

গ্লোবাল রিস্ক ম্যানেজমেন্টের প্রধান বিশ্লেষক আর্নে লোম্যান রাসমুসেন বলেন, বাজারে এমন প্রত্যাশাই বেশি দেখা যাচ্ছে।

এদিকে হরমুজ প্রণালীতে জটিলতা থাকায় ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও ইউএইর তেল রপ্তানিও চাপের মুখে রয়েছে। একই সঙ্গে ইরান ও রাশিয়ার পরিস্থিতিও বৈশ্বিক বাজারে প্রভাব ফেলছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরাক ও কাজাখস্তানের মতো কয়েকটি দেশের উৎপাদন কোটা ছাড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ থাকায় ভবিষ্যৎ অবস্থান নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

তাই রোববারের বৈঠককে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।